আমার নাম হাসান। আমি এখন
অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ি।কিছুদিন হলো পরীক্ষা শেষ । তাই আমি আমার আম্মু কে বলে
আমাদের এক দূরের আন্টির বাসায় যাই কয়দিন থাকতে। আন্টি কে না বলে তাদের বাসায়
যাচ্ছি। কারন গিয়ে সারপ্রাইজ দিব তাদের।
আমি আমার বাবা-মা এর একমাত্র সন্তান। তাই বাবা-মা কখনো
আমাকে কিছু বলতেন না। তাই আমি আমার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আম্মু কে বলে আমি কোথাও
বেড়াতে যাব। কিন্তু কোনো জায়গা নাই যেখানে আমি যাব। কারন আম্মু জানে আমি কোথায়
যেতে চাই। তাই আম্মু বলল কালকে যাস তোর আন্টির বাসা।
আমি শুনে বলে আম্মু আমি একা যাব না। আমার সাথে আমার বন্ধু
আপন ও যাবে। আম্মু বলল ঠিক আছে জাস। যে কথা সেই কাজ সকালে আমি আর আপন চলে গেলাম
আমার আন্টির বাসায়।
আন্টির তিন মেয়ে। একজন আমার থেকে বড়, একজন
ফাস্ট ইয়ার এ পরে, আর একজন ৫ এ পরে। আন্টির বড় মেয়ে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের
ছাত্রী।
বড় আপু দেখতে অনেক সেক্সী। তাই ফিগারটা পুরো মাখন। এস গুলা
পড়া তরমুজ। আর বুবস গুলা পুরা ডাব আর মতো এত বড়। যে কারো মন কাড়তে পারে। আপুকে
আমি ছোট থেকে অনেক লাইক করি। কিন্তু বড় হওয়ার পর আমি তাকে অনেক ভালোলাগা শুরু
হয়।
আমি আর আপন ঠিক মত আন্টির বাসায় চলে যাই। আন্টি আমাদের
দেখে তো অবাক হয়ে যায়। কারণ আমি আন্টিকে না বলে আসছি। আন্টি আমাদের দেখে বলল
আসার আগে আমাকে বললে তো হতো আমি গিয়ে তোদের নিয়ে আসতাম।
ভালো-মন্দ জানার পর আমরা আন্টির বাসায় যাই। আংকেল থাকে
কানাডা। সেখান জব করে। তাই আন্টি একা থাকে বাসায়। বড় আপু থাকে হোস্টেল এ।
আন্টির বাসায় যেতে যেতে প্রায় রাত হয়ে যায়। কারণ আন্টি
থাকে কুমিল্লা আর আমি থাকি ঢাকা।তাই আমি আর আপন রাতে খাবার পর ঘুমায় যায় কারণ, আসতে
আমাদের অনেক লেট হয়েছে। তাই আমি আর আপন একটা রুম এ ঘুমাই এর আন্টি আর আমার দুই
ছোট বোন অন্য রুমে এ ঘুমায়।
আন্টির বাসায় ছিল দুই রুম। একটায় আন্টি আর আমার সবচেয়ে
ছোট বোন ঘুমায়। আরেকটাই আমার মেজ বোন। আর একটা বড় আপুর রুম। আমি আর আপন মেজ
বোনের রুমে এ শুতে যায়।
কিন্তু আমাদের ঘুম আসেনা। তাই আমি আর আপন শুয়ে শুয়ে ফোন
টিপছিলাম। রাত তখন ২:৩০ আর মতো হয়। আমি আপন কে বলি আমি একটু পানি খেয়ে আসি তুই
থাক।
আমি উঠে লিভিং রুম এ গিয়ে পানি খেয়ে দেখি বড় আপুর রুম এর
দরজা খোলা। আর ভিতর থেকে আহ্ ওহ্ আর আওয়াজ হচ্ছে। তাই আমি রুম আর দরজা আর ফাঁক
থেকে দেখি আন্টি পুরো উলংগ। তার শরীরে কোনো কাপড় নাই। আর সে ফোন এ পোর্ন ভিডিও
দেখতেছে আর তার পুসিতে ফিঙ্গারিং করতেসে।
আমি আন্টির এ কাজ দেখে পুরো পাগল হয়ে যাই। আমার বারাটা
কারো পুসি তো যাওয়ার জন্য ছট-পট করছিল।
তাই আমি আমার বারাটা প্যান্ট এর ভিতর থেকে বের করে কচলাতে
থাকি। আন্টি আমাকে দরজার বাহিরে দেখে অনেক ভয় পেয়ে যায়। আর তাড়াতাড়ি করে
নিজের জামা-কাপড় পরে ফেলে। আমিও আমার প্যান্ট এর চেইনটা লাগিয়ে ফেলি।
আন্টি আমাকে ডেকে বলে। এত রাতে তুমি এখনো ঘুমাও নাই। আমি
বলি না আন্টি আমি পানি খেয়ে উঠেছিলাম। আন্টি বলে ঠিকাছে ঘুমাতে যাও। আমি রুম এ
গিয়ে আপন কে বলি মামা আজকে তো আমি শর্গ দেখেছি। আপন বলে কি দেখেছিস।
আমি আপন কে সব বলি। আপন শুনে বলে আরে শালা আমাকে ডাকলিনা
কেনো। আমি বলি আর বেটা আমি দেখে তো পাগল হয়ে গেছি তোকে কি বলব। আপন বলে এখন কি
করবি। আমি বলি দেখি কি করা যায়। তারপর আমি আর আপন ঘুমায় যায়।
সকালে ঘুম ভাঙলো ছোট বোনের ডাকে। ওঠে আমি আর আপন ফ্রেশ হয়ে
সকালে নাস্তা করি। সকালে খাবার সময় দেখি আন্টি আমার সাথে কোনো কথা বলছে না। তাই
আমি আন্টির কাছে গিয়ে বলি আন্টি আমি আর আপন বাহিরে যাবো শহর টা দেখতে। আন্টি কিছু
বলে না, খালি বলে বিকেল হওয়ার আগে বাসায় আসতে।
যে কথা সেই কাজ। আমি আর আপন বাহিরে থেকে ঘুরা ঘুড়ি করার পর
বিকেল আর মধ্যে বাসায় আসি। আশার সময় আন্টির জন্য একটা শাড়ি পছন্দ হয়, তাই সেটা
কিনি। আর দুই বোনের জন্য কিছু কেনা-কাটা করি।
বাসায় যাওয়ার পর আন্টির কাছে সব কিছু দিয়ে বলি তোমার
জন্য একটা শাড়ি এনেছি। পরে দেখো কেমন হয়েছে। আর কিছু না বলে আমি আর আপন রুম এ
চলে যাই।
রাতে আন্টি খাবার জন্য ডাকে। খাবার খাওয়া পর আমি রুম এ চলে
যায়। আর শুয়ে শুয়ে ফোন দেখতে থাকি। তখন আন্টি আমার ফোন এ ম্যাসেজ করে বলে তোর
বড় আপুর রুম এ আয়। আমি কিছু না বলে বড় আপুর রুম এ যাই।
আমি গিয়ে দেখি আন্টি আমার দেয়া শাড়িটা পড়ে দাঁড়িয়ে
আছে। আমি দেখে পুরা পাগল হয়ে যাই। মন করতেসিল যে এখনই আন্টির শাড়িটা খুলে
আন্টিকে চুঁদে দেই।